Showing posts with label feeling. Show all posts
Showing posts with label feeling. Show all posts

Tuesday, March 14, 2023

গান ০৬ - ভালোবাসা বাকি - Popeye

কিছুক্ষণ থেকে যাও, যেও না এখনই

তোমাকে দু' চোখ ভরে, দেখার আরও যে বাকি


কাছে এসে জড়িয়ে ধরা বাকি

"ভালোবাসি তোমাকে" বলা বাকি

যত ব্যথা তোমার নিজের করা বাকি

এ জীবন তোমার নামে লেখা বাকি


যখনই তুমি কাছে, সময় কাটে হেসে

লাগে জানালা তুমি বদ্ধ এই মনে

বিষণ্ণতা কেটে যায় তোমারই ছোঁয়ায়

যে ছোঁয়া আমার আরও চাওয়া বাকি

একই সাথে সকাল দেখা বাকি

সাগরতরে মিলে ভেজা বাকি

যত কথা তোমার বলার– শোনা বাকি

এ জীবন তোমার নামে করা বাকি


রাঙালে তুমি আবার ভালোবাসায় মৃতপ্রায় হৃদয়টাকে

দেখালে স্বপ্ন সেসব হয়নি সাহস কখনো দেখার আগে


ছড়িয়ে দিলে আলো, ছিল আঁধারে যত

তুমি এসে, তুমি হেসে

পেয়ে তোমাকে এত অপেক্ষা শেষে বলো

আড়াল চোখের করি কী করে?

এখনো তো হাতে ধরা বাকি

একই সাথে বিকেল হাঁটা বাকি

চোখে চোখে কথা বোঝা বাকি

এ জীবন তোমার

এ জীবন তোমার

এ জীবন তোমার

এ জীবন তোমার নামে করা বাকি ||

Wednesday, November 24, 2021

গান ০৫

 ভালোবাসা মানে ধোঁয়া ছাড়ার প্রতিশ্রুতি

ভালোবাসা মানে এলো চুল মাতোয়ারা,


ভালোবাসা মানে সময় থামার আগে

ভালোবাসা তোমার শুরু আমার সারা.


ভালোবাসা মানে ধোঁয়া ছাড়ার প্রতিশ্রুতি

ভালোবাসা মানে এলো চুল মাতোয়ারা,


ভালোবাসা সময় থামার আগে

ভালোবাসা তোমার শুরু আমার সারা.



ভালোবাসা মানে আর্চিস গ্যালারী

ভালোবাসা মানে গোপন গোপন খেলা,


ভালোবাসা মানে কান্না ভেজা চোখে

ভালোবাসা নিল খামেদের ভ্যালা.


ভালোবাসা মানে আর্চিস গ্যালারী

ভালোবাসা মানে গোপন গোপন খেলা,


ভালোবাসা মানে কান্না ভেজা চোখে

ভালোবাসা নিল খামেদের ভ্যালা.


ভালোবাসা মানে আগাম চলার শুরু

ভালোবাসা মানে অবিরাম চলা বসা,


ভালোবাসা মানে আঁখি পল্লব ছুঁয়ে

চিনতে শেখা শেষ কাবির ভাসা.



ভালোবাসা মানে দূরভাষ নিশ্চুপে

শুনে ফেলে অনুভূতির হাসি,


ভালোবাসা নান্দনিক যাতায়াতে

ভালোবাসা মানে চৌরাসিয়ার বাঁশি.



ভালোবাসা মানে আর্চিস গ্যালারী

ভালোবাসা মানে গোপন গোপন খেলা,


ভালোবাসা মানে কান্না ভেজা চোখে

ভালোবাসা নিল খামেদের ভ্যালা.


ভালোবাসা মানে আর্চিস গ্যালারী

ভালোবাসা মানে গোপন গোপন খেলা,


ভালোবাসা মানে কান্না ভেজা চোখে

ভালোবাসা নিল খামেদের ভ্যালা.



ভালোবাসা মানে আগাম চলার শুরু

ভালোবাসা মানে অবিরাম চলা বসা,


ভালোবাসা মানে আঁখি পল্লব ছুঁয়ে

চিনতে শেখা শেষ কাবির ভাসা.


ভালোবাসা মানে দূরভাষ নিশ্চুপে

শুনে ফেলে অনুভূতির হাসি,


ভালোবাসা নান্দনিক যাতায়াতে

ভালোবাসা মানে চৌরাসিয়ার বাঁশি

ভালোবাসা মানে চৌরাসিয়ার বাঁশি

ভালোবাসা মানে চৌরাসিয়ার বাঁশি...

Sunday, November 21, 2021

গান ০৪

ঘর, ফেরা হয়নি আমার ঘর,

চেনা হয়নি আমার ঘর,

জানা হয়নি মনের মানুষটাকে...

Tuesday, September 21, 2021

কবিতা ০২

সে - জীবনানন্দ দাশ


আমাকে সে নিয়েছিলো ডেকে;

বলেছিলোঃ এ নদীর জল

তোমার চোখের মত ম্লান বেতফল;

সব ক্লান্তি রক্তের থেকে

স্নিগ্ধ রাখছে পটভূমি;

এই নদী তুমি।


এর নাম ধানসিঁড়ি বুঝি?

মাছরাঙাদের বললাম;

গভীর মেয়েটি এসে দিয়েছিলো নাম।

আজো আমি মেয়েটিকে খুঁজি;

জলের অপার সিঁড়ি বেয়ে

কোথায় যে চলে গেছে মেয়ে।


সময়ের অবিরল শাদা আর কালো

বনানীর বুক থেকে এসে

মাছ আর মন আর মাছরাঙাদের ভালোবেসে

ঢের আগে নারী এক – তবু চোখ ঝলসানো আলো

ভালোবেসে ষোলো আনা নাগরিক যদি

না হয়ে বরং হতো ধানসিঁড়ি নদী।

Wednesday, September 8, 2021

গান ০৩

 তোমার চুলের গন্ধ পাচ্ছি

তোমায় পাচ্ছি কই!!

Monday, March 8, 2021

অঞ্জন দত্ত


৮ই মার্চ, ২০২১

রাতঃ ০১.০১ মিনিট


আমি অনেক জিনিস নিয়েই কনফিউজড থাকি, বাট আমি এক বাক্যে বলতে পারবো, আমার প্রিয় শিল্পী কে৷ অঞ্জন দত্ত ❤️❤️ উনার প্রতিটা গানই আমার পছন্দ৷ যা বলে, তাই মনে লেগে থাকে৷ আমি খুজে খুজে দেখি, কোন গানটা এখনো শোনা বাকি! খুবই ফিল করি, গান গুলো, লাইন গুলো৷ উনার কন্ঠ টাই যেন জাদুর৷ মন ভালো করে দেয়৷ 


একটা শ্রুতিনাটক শোনছিলাম, ওইটা ও খুব ভালো লাগছিলো৷ এছাড়া উনার মুভিও দেখছি৷ বেশ ভালো লেগেছে৷ লাভ ইউ অঞ্জন দত্ত ❤️❤️❤️ 


Friday, March 5, 2021

গান ০২

 যখন নীরবে দূরে দাঁড়াও এসে

যেখানে পথ বেঁকেছে

তোমার ছুঁতে চাওয়ার মূহুর্তরা

কে জানে, কি আবেশে দিশাহারা

Friday, February 19, 2021

সাজেক ট্যুর


 

সন্ধ্যাঃ ৬.২০ মিনিট

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১


কিছুদিন আগে আমি সাজেক গিয়েছিলাম৷ সাজেক একটা ছোট পাড়া/গ্রাম কে ঘিরে গঠিত৷ তেমন বড় না এলাকা টা৷ ১০/১৫ মিনিট হাটলে পুরা পাড়া টা ঘুড়া হয়ে যায়৷ এক মাথা থেকে সোজা রাস্তা ধরে ২ পাশে কিছু বাড়ি৷ আমি সাজেক যাওয়ার আগে "বাংলালিংক বাংলার পথে" একটা প্রোগ্রাম থেকে সাজেক এর ৮/৯ বছর আগের একটা এপিসড দেখেছিলাম৷ কয়েকটা আধিবাসী বাড়ি৷ খালি জায়গা সব৷ আমি যাওয়ার পর যা দেখলাম, রাস্তার ২ পাশে অনেক কটেজ/হোটেল৷ খাবার রেস্টুরেন্ট৷ ছোট একটা জায়গা, এত্তো এত্তো মানুষ! যদিও আমরা শুক্রবার গেছিলাম৷ শীতের সময়, অনেক মানুষ ঘুরতে যায় তখন৷ মানুষের ভীড়ের জন্য একটু বিরক্তিকর লাগছে৷


সাজেকে একটা জায়গা আছে কংলাক পাহাড়৷ সাজেক ঘুড়তে গেলে, সবাই ওখানে যায়৷ আগে হয়তো জায়গা টা বড় ছিলো, এখন ওখানে বেশ অনেক খানি জায়গা জুড়ে একটা দোকান হয়েছে৷ ওই সময় ২০ হাত জায়গায় ২০০ মানুষ ঘুড়া ফেরা করছিলো৷ কেউ হয়তো ছবি তুলছে৷ এক জনের ছবিতে অন্যরা চলে আসছে৷ এতো মানুষ, সিঙেল ছবি তুলার সুযোগ নাই৷ আমার খুবই মেজাজ খারাপ হইছিলো, এই সব দেখে৷


ফেইসবুকের গ্রুপে সাজেকের যেই সব ছবি দেখে গেছি, বাস্তবে তা পাই নাই৷ অনেকটা আশাভঙ্গ হয়েছে৷ হয়তো শীতের সিজন দেখে হয়তো৷ মেঘ এর ভেসে বেড়ানো, তেমন চোখে পড়ে নাই৷ শরৎকালে গেলে হয়তো বেশি ভালো লাগবে৷ সাজেকে খাওয়া মধ্যে ব্যাম্বো চিকেন টা ভালো ছিলো৷


সাজেকের সব চেয়ে যেটা সুন্দর ছিলো, প্লাস এনজয় করছি, তা হলো সাজেক আসা যাওয়ার রাস্তাটুকু৷ অসাধারণ ভিউ৷ দূর সীমানায় পাহাড়ের সারি৷ একটার পর আরেকটা পাহাড়৷ গাড়িতে যখন যাচ্ছিলাম, গাড়ি কখনো উপরে উঠছে তো উঠছেই৷ আবার যখন নিচে নামছে, তো নামছেই৷ কখনো ডানে, কখনো বায়ে৷ এতো আঁকাবাঁকা রাস্তা যে, আমরা সাজেক যাবার ৭ কিমি আগে থেকে আমাদের রিসোর্ট গুলা দেখতে পাচ্ছিলাম৷ শুধু মাত্র আঁকাবাঁকা আর উপরনিচ রাস্তার জন্য এই ৭ কিমি রাস্তা লাগছে৷


পরিশেষে, সাজেক তেমন ট্রেকিং ট্যুর ছিলো না৷ নাপিত্তাছড়া ঝর্নায় এর থেকে অনেক পরিশ্রম হয়েছিলো৷ সামনে দেবতাখুম, নাফাখুম, কিউকারডং যাবার ইচ্ছে আছে৷ দেখি কবে নাগাদ যাওয়া হয়৷

Sunday, February 14, 2021

হ্যাপি ফ্যামিলি


১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

সকালঃ ১০.৩০ মিনিট

কাকতালীয় ভাবে আজ আমি বাড়িতে৷ সকালে ঘুম ভেঙেই আমার একটা অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করছিলো৷ আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস৷ আজ বাড়িতে সবাই আসছে৷ আমি ২ মাস পর ঢাকা থেকে বাড়ি আসলাম৷ ভাইয়া ভাবি আছে৷ আপু দুলাভাই বেড়াতে আসছে৷ ভাগিনারা ও আছে৷ অনেক দিন এমন হয় না৷ সবাই এক সাথে৷ আমি ঘুম ঘুম চোখে ভাবছিলাম ব্যাপারটা৷ হ্যাপি ফ্যামিলি৷ আসলেই আমরা সবাই সুখী৷ আহামরি কোন প্রবলেম নাই৷ কোন টানা হ্যাঁচড়া নাই৷ সব সময় যেন এমন ভাবে থাকতে পারি৷ আজ ভালোবাসা দিবস বলে কিছু থাকলে, তা পূর্নতা পেলো৷ ফিলিং লাভলী <3  

Saturday, June 27, 2020

বেঁচে থাকা



আমি বেঁচে থাকতে চাই,

এই সুন্দর পৃথিবীতে আরো কিছুটা দিন বেঁচে থাকতে চাই।

 

সাগরের বিশাল আর উত্তাল ঢেউ দেখতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই,

পাহাড়ের চূড়ায় বসে সম্পুর্ন পৃথিবী টাকে এক নজরে দেখার জন্য হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

পূর্নিমার রাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই,

ড্রিম লাইট জ্বালিয়ে, রোমান্টিক মিউজিক শোনার জন্য হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

ফজর নামাজ পরে, ভোরের আলো ছড়িয়ে পড়া দেখতে আমি আরো কিছুদিন বাঁচতে চাই,

চাঁদপুর মোহনায় সূর্যের ডুবে যাওয়া দেখতে আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

অঞ্জন দত্তের গান শুনার জন্য আমি বেঁচে থাকতে চাই,

বেলকনিতে বসে ফুরফুরে হাওয়া গায়ে লাগাতে আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

প্রেমিকার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে আমি বেঁচে থাকতে চাই,

পুরনো প্রেমিকার কথা মনে পরে, কষ্টের মাঝে শান্তি খুজতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

প্রেমিকার সাথে কথা বলে সারারাত কাটিয়ে দিতে গিয়ে আমি বেঁচে থাকতে চাই,

বন্ধুদের সাথে মাঝরাতে শহীদ মিনারে শুয়ে থাকতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

কদম ফুল হাতে, প্রেমিকার সাথে বৃষ্টিতে ভিজতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই,

হুমায়ুন আহমেদ এর আরো কয়েকটা বই পড়ার জন্য হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

চিলক্স এর বার্গার খেতে হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই,

রসগোল্লা আর গরম জিলাপি খাওয়ার জন্য হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই৷

 

কি হবে এতো তাড়াতাড়ি মরে গিয়ে??

আমি চলে গেলে, আমাকে ছাড়া সবাই এই পৃথিবী টার সৌন্দর্য উপভোগ করবে৷

আমি দেখবো না?? তা হবে না৷

আমি আরো একশ বছর বেঁচে থাকতে চাই,

পৃথিবীর কোনায় কোনায় ঘুরতে চাই,

 কোন এক মায়ের কোলে নতুন শিশুর মুখ দেখতে চাই,

পুরনো মুভি দেখতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হতে চাই,

মজার মজার খাবার খেতে চাই,

পছন্দের সব গান শুনাতে চাই,

ভালো কিছু বই পড়তে চাই,

আমি বেঁচে থাকতে চাই।


Thursday, June 18, 2020

উক্তি ০১

ভালবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয় ভাল।বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালবাসা থাকে না।আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা ভালবাসাটা থাকে,শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালবাসা এই দুয়ের মধ্যে ভালবাসাই হয়ত বেশি প্রিয়।

~হুমায়ূন আহমেদ (কোথাও কেউ নেই)

গান ০১

কিচ্ছু চাইনি আমি আজীবন 
ভালোবাসা ছাড়া ।
আমিও তাদেরই দলে,
বারবার মরে যায় যারা ।

কবিতা ০১

নিজেকে প্রশ্ন করে দেখো না
যার নাম তুমি আর লেখোনা
কেন তাকে ধরে আছো হৃদয়ে?
বিদায়ের পথ কেন ছাড়োনি?

Wednesday, May 6, 2020

রঙ



৬ মে, ২০২০
সন্ধ্যা: ০৭.০৭ মিনিট

রঙ কি অদ্ভুত একটা জিনিস। রঙের ব্যবহারে একটা জিনিস কত না ভিন্নতা পায়। বৈচিত্যতা পায়। প্রকৃতিতে রঙের কি অপূর্ব ব্যবহার। আকাশের রঙ নীল। গাছ, পাহাড়ের রঙ সবুজ। ঝরে পড়া হলুদ পাতা। রক্তের লাল রঙ। লাল, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনী, আসমানী, কমলা। সাতটি রঙ। সাতটি অনুভুতি। একটা রুমের দেয়াল গুলো গোলাপী হলে কেমন রোমান্টিক লাগে। একটি নীলাভ ডিমলাইট রুমের পরিবেশ পরিবর্তন করে দেয়। মনে ভালো লাগার অনুভতি এনে দেয়। বেলকনিতে বসে সামনের দালানগুলো গাঢ় রঙ চোখে প্রশান্তি ছুয়ে দেয়।

Saturday, April 25, 2020

Religion in my life



25th April 2020, 1st Ramjan 1441, 6:12 PM

First of all, I came from a religious family. Both my parents performed hajj separately. They didn't watch TV. Either for religious mind or they didn't get any interest. My mother gets up early every day for prays Tahajutt salat. She prays all kinds of salat I have known ever. Also both eid's prayer. And all kind of dua and other things.

Again I came from this kind of family. I also believed in god. But I truly didn't act so much religiously. I prayed to my salat before and at the time of my school life. That's means in my early life. Also some in my college life. But in my university life, I was far away from religion. It was a thought nothing else. I was a weekly religious man all the time. I only prayed for jummah's prayer. But I have fasted all Roja after class 6/7. All-time I fasted 30 Ramjan. It was not so much hard to maintain.

Also in my job life, I didn't pray all salat.  But After 1 year of my job, I have some trouble. I get pain in my life. Then I started praying salat for peace of my mind. That's continued so far. I was not a religious person at any time. I didn't think that way. I do where is my happiness. Currently, prayer is a medicine for my mind. Realy I enjoy it.


Thursday, March 26, 2020

একটি বিকেল ও আমার অনুভুতি



২৬ই মার্চ, ২০২০
সন্ধ্যা: ৭.০৩ মিনিট 

বহু বহু দূরে একটি নব নির্মিত বাড়ির ছাঁদে দুজন দাড়িয়ে আছে। তাদেরকে দেয়াশালাই এর দুটো কাঠির মত মনে হচ্ছে। ছাঁদের এক পাশে পিলারের রড গুলো বের হয়ে আছে। অন্য পাশে চিলে কোঠায় দাড়িয়ে তারা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।

অপেক্ষাকৃত কম দূরের একটা বিল্ডিং এর ছাঁদে পানির টাংকিতে দুজন বসে আছে। তাদের সামনে অনেকটা খোলা জায়গা। তারা হয়ত দুই বন্ধু। পড়ন্ত বিকালে ছাঁদে বসে দুইজন আড্ডা দিচ্ছে।

তাদের পাশেই অন্য একটা বিল্ডিং এর চতুর্থ তালার বেলকনিতে আরও দুজন। এক বাবা তার ছোট্ট সন্তানকে বুকে নিয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছে। হয়ত সন্তানের সামনের দিনগুলা কেমন কাটবে তা নিয়ে ভাবছে। সে দাড়িয়ে আছে অনেক অনেকক্ষন ধরে।

আমি আগে কখনো খেয়াল করিনি, একটু দূরে একটি বাসার ছাঁদে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। এটা কি আগেরই ছিল, নাকি আজ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উড়িয়েছে?

একটা বাসার ছাঁদ বেশ বড়। অনেক বড়। দুই-তিন তলা দালানের উপর ছাঁদটা। ওই ছাঁদটায় সবচেয়ে বেশি মানুষজন। অনেকগুলা পিচ্চি। ওরা খেলছে, দৌড়াচ্ছে, ঘুড়ি উড়াচ্ছে। জায়গাটা একটা বড় মাঠের মত। ওখানে যারা খেলা করছে, তারা সবাই হয়ত ওই বাসার ছেলে মেয়ে না। পাশের বাসার থেকে ওদের সাথে খেলতে আসছে তাদের সঙ্গী সাথীরা। এই গাড়ি-ঘোড়া আর বড় বড় দালান-কোঠার শহরে একটু খোলা জায়গা কই? একটা খেলার মাঠ কোথায় মিলে?

আশেপাশের কয়েকটা বিল্ডিং বেশ চকচকে। নতুন রঙ করা। বেশ উচু উচু। দশ-বার তলা। প্রায়গুলো বিল্ডিং এর জানালার কার্নিসে এসি সেট করা। আবার কয়েকটা বেশ পুরুনো বিল্ডিং। রঙ উঠে গেছে। অবহেলা অযত্নে ছাদের গাছ গুলো ঝোপঝাড়ে পরিনত হচ্ছে। আছে কয়েকটা নতুন বিল্ডিং, শুধু মাত্র ছাঁদ গুলো তুলে দিয়েছে। ভেতরটা এখনো পুরুপুরি ফাঁপা, ফাকা হয়ে আছে।

বাসার সামনের রাস্তাটা আজ বড়ই নিরব। অনেকক্ষন পরে পরে দুই একটা সাইকেল বা রিকশা যাচ্ছে। অথচ এই রাস্তাটা অত্যন্ত ব্যস্ত। রাত দুইটা-চারটা পযর্ন্ত ভারী ট্রাক চলে।

আজ প্রায় অনেকগুলা বাসার ছাঁদেই বেশ কিছু মানুষ জন। কেউ গল্প করছে, কেউ আশেপাশে দেখছে, আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। পিচ্চি বাচ্চারা খেলাধুলা করছে। তারা কি প্রতিদিনই বিকালে বাসার ছাঁদে আসে? না আমার মত কোন এক বন্ধের দিনে, অবসর বিকালে সময় কাটাচ্ছে?

মসজিদ থেকে আযান এর সুর ভেসে আসছে। বহু দূরের ওই দুটো লোক এখনো দাড়িয়ে আছে। কাছের বিল্ডিং এর ছেলে দুটো এখনো বসে। বাবা তার সন্তানকে নিয়ে ঘরে চলে গেছে। বাচ্চারা তাদের মায়ের ডাকে, অনিচ্ছায় খেলার মাঠ ছেড়ে যাচ্ছে। আমার সামনে দিয়ে ৯ টা পাখি উড়ে গেল। হয়ত তাদের নীড়ে ফিরছে।

আমি এই সুন্দর দৃশ্যটা মাথায় ঢুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছি। যেন কখনো চোখ বন্ধ করলেই পুরো দৃশ্যটা চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু আমি জানি দৃশ্যটা থাকবে না। আমি কথনো কারো চেহারাও পুরোপুরি মাথায় ধরে রাখতে পারি না। সুন্দর কোন দৃশ্য, সুখকর কোন স্মৃতিও না।

আমার শুধু ঘটনাটা মনে থাকে। ওখানে, এর সাথে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তার সাথে দেখা হয়েছিল, কথা হয়েছিল। হয়ত ভালো একটা সময় কাটিয়েছিলাম। কিন্তু সেই দৃশ্যটা কল্পনা করতে পারি না। মাথায় আসে না। স্বপ্নের মত আবছা আবছা লাগে সব কিছু। মাথাটা পুরো খালি হয়ে যায়। মনের ভিতরটা হাঁ হাঁ করে, চিত্রটা আকাঁর জন্য।

থাক আজকের মত।
শুভ সন্ধ্যা প্রকৃতি, শুভ সন্ধ্যা।